দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরিয়ার সরকার জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাজধানীর ফোর সিজনস হোটেলের কাছে একটি পার্ক করা গাড়ি ও একটি ডাস্টবিনে রাখা দুটি বিস্ফোরক শনাক্ত করে নিরাপত্তা বাহিনী। বোমা নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া চলার সময়ই সেগুলো বিস্ফোরিত হয়।
ফোর সিজনস হোটেলেই রাত কাটিয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ। সেখানেই তিনি সকালে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নেন।
ফরাসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় ম্যাক্রোঁ নিরাপদ ছিলেন এবং তিনি বিস্ফোরণের শব্দও শোনেননি।
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে প্রাথমিক কিছু সূত্র পাওয়া গেছে এবং তদন্ত চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি গাড়িতে আগুন জ্বলতে এবং কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় দ্বিতীয় বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, প্রথম বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে নিরাপত্তা সদস্য ও সাধারণ মানুষ আহত হন।
বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ম্যাক্রোঁ বলেন, সিরিয়ার মানুষের স্বাধীন, নিরাপদ, বহুত্ববাদী ও ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গড়ার আকাঙ্ক্ষাকে কোনো কিছুই দমিয়ে রাখতে পারবে না।
পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আহতদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এমন হামলায় বিচলিত না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট আল-শারা সফর অব্যাহত রাখায় ম্যাক্রোঁর সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো শীর্ষ নেতার এটিই ছিল সিরিয়া সফর। তবে এই বিস্ফোরণ দেশটির চলমান নিরাপত্তা সংকটকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/